হাসনাত আব্দুল্লাহর মনোনয়ন বাতিল! ফিরে এলেন মঞ্জুর আহসান মুন্সি? কুমিল্লায় তোলপাড়!

রাজনীতির মাঠে বড়সড় ধাক্কা! শেষ পর্যন্ত বাতিল হয়ে গেল ছাত্র আন্দোলনের পরিচিত মুখ হাসনাত আব্দুল্লাহর মনোনয়ন। অন্যদিকে, নাটকীয়ভাবে নিজের অবস্থান শক্ত করে ফিরলেন মঞ্জুর আহসান মুন্সি।

রাজনীতির মাঠে বড়সড় ধাক্কা! শেষ পর্যন্ত বাতিল হয়ে গেল ছাত্র আন্দোলনের পরিচিত মুখ হাসনাত আব্দুল্লাহর মনোনয়ন। অন্যদিকে, নাটকীয়ভাবে নিজের অবস্থান শক্ত করে ফিরলেন মঞ্জুর আহসান মুন্সি।  কুমিল্লা রাজনীতির সমীকরণ এখন তুঙ্গে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, হাসনাত আব্দুল্লাহর মনোনয়নপত্রের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করেছিলেন মঞ্জুর আহসান মুন্সি। তাঁর সেই আপিল বা আবেদন শেষ পর্যন্ত মঞ্জুর করা হয়েছে, যার ফলে কপাল পুড়ল হাসনাতের।  কিন্তু কেন এই বাতিল? আইনি জটিলতা নাকি তথ্যের গরমিল? এই নিয়ে এখন সরগরম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। তরুণ প্রজন্মের কাছে বিপুল জনপ্রিয় হাসনাত আব্দুল্লাহ কি এখন উচ্চ আদালতে যাবেন? নাকি এখানেই শেষ তাঁর নির্বাচনী যাত্রা?  মঞ্জুর আহসান মুন্সির দাবি অনুযায়ী, হাসনাত আব্দুল্লাহ তাঁর হলফনামায় অদ্ভুত স্ববিরোধিতা দেখিয়েছেন। তিনি এক জায়গায় উল্লেখ করেছেন তাঁর স্ত্রীর স্বর্ণালংকারের মূল্য শূন্য টাকা। অথচ, বিস্ময়করভাবে অন্য একটি অংশে সেই একই স্বর্ণের বিপরীতে দাবি করেছেন ২৬ লক্ষ টাকা! একই সম্পদের দুই রকম তথ্য বিভ্রান্তির সৃষ্টি করেছে।  সমস্যা এখানেই শেষ নয়। নির্বাচনের খরচের উৎস নিয়েও বড় প্রশ্ন উঠেছে। হাসনাত দাবি করেছিলেন, তিনি সম্পূর্ণ 'জনগণের টাকায়' নির্বাচন করবেন। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের আইন অনুযায়ী অর্থের স্বচ্ছ উৎস থাকা বাধ্যতামূলক। এই 'জনগণের টাকা' কীভাবে সংগ্রহ করা হয়েছে বা কোথা থেকে এসেছে—তার কোনো সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা বা প্রমাণ তিনি হলফনামায় উল্লেখ করেননি।  স্বর্ণের দামের এই গরমিল আর আয়ের উৎসের অস্পষ্টতাই কি তবে কাল হলো হাসনাতের? নাকি এর পেছনে আছে অন্য কোনো সমীকরণ? কমেন্ট করে আপনার মতামত জানান। ধন্যবাদ।"


কুমিল্লা রাজনীতির সমীকরণ এখন তুঙ্গে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, হাসনাত আব্দুল্লাহর মনোনয়নপত্রের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করেছিলেন মঞ্জুর আহসান মুন্সি। তাঁর সেই আপিল বা আবেদন শেষ পর্যন্ত মঞ্জুর করা হয়েছে, যার ফলে কপাল পুড়ল হাসনাতের।


কিন্তু কেন এই বাতিল? আইনি জটিলতা নাকি তথ্যের গরমিল? এই নিয়ে এখন সরগরম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। তরুণ প্রজন্মের কাছে বিপুল জনপ্রিয় হাসনাত আব্দুল্লাহ কি এখন উচ্চ আদালতে যাবেন? নাকি এখানেই শেষ তাঁর নির্বাচনী যাত্রা?


মঞ্জুর আহসান মুন্সির দাবি অনুযায়ী, হাসনাত আব্দুল্লাহ তাঁর হলফনামায় অদ্ভুত স্ববিরোধিতা দেখিয়েছেন। তিনি এক জায়গায় উল্লেখ করেছেন তাঁর স্ত্রীর স্বর্ণালংকারের মূল্য শূন্য টাকা। অথচ, বিস্ময়করভাবে অন্য একটি অংশে সেই একই স্বর্ণের বিপরীতে দাবি করেছেন ২৬ লক্ষ টাকা! একই সম্পদের দুই রকম তথ্য বিভ্রান্তির সৃষ্টি করেছে।


সমস্যা এখানেই শেষ নয়। নির্বাচনের খরচের উৎস নিয়েও বড় প্রশ্ন উঠেছে। হাসনাত দাবি করেছিলেন, তিনি সম্পূর্ণ 'জনগণের টাকায়' নির্বাচন করবেন। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের আইন অনুযায়ী অর্থের স্বচ্ছ উৎস থাকা বাধ্যতামূলক। এই 'জনগণের টাকা' কীভাবে সংগ্রহ করা হয়েছে বা কোথা থেকে এসেছে—তার কোনো সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা বা প্রমাণ তিনি হলফনামায় উল্লেখ করেননি।


স্বর্ণের দামের এই গরমিল আর আয়ের উৎসের অস্পষ্টতাই কি তবে কাল হলো হাসনাতের? নাকি এর পেছনে আছে অন্য কোনো সমীকরণ? কমেন্ট করে আপনার মতামত জানান।

 ধন্যবাদ।"

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ